বিজ্ঞাপন
প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে ও বিদেশে উভয় স্থানে ডুয়েল কারেন্সি লেনদেনের সুযোগ পাবেন, পাশাপাশি অনলাইন শপিং সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই কার্ডধারীরা বিশেষ অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা, বিমান টিকিট ও হোটেল ভাড়ায় আকর্ষণীয় মূল্যছাড় পাবেন। পাশাপাশি দেশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন ‘প্রবাসী সিটি’ ও সরকারি-বেসরকারি আবাসন প্রকল্পগুলোতে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
প্রবাসীদের সার্বিক সুরক্ষায় এতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) সংশ্লিষ্ট বীমা ও পুনর্বাসন সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত থাকছে, যা আর্থিক ক্ষতিপূরণ ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো—এই কার্ডের আওতায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে অতিরিক্ত সরকারি প্রণোদনা পাওয়া যাবে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এ বিষয়ে জানান, বর্তমানে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠালে আড়াই শতাংশ হারে যে প্রণোদনা পান, প্রবাসী কার্ডধারীদের ক্ষেত্রে তা বৃদ্ধি করে ৩ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চলতি বছরের মধ্যে দুই লাখ প্রবাসীকে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রথম ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি দেশে পাঁচ হাজার প্রবাসীর মাঝে এই কার্ড বিতরণ করা হবে, যা আগস্টের মাঝামাঝি থেকেই শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মালয়েশিয়া-প্রবাসী পাভেল সারওয়ার। তিনি মন্তব্য করেন, ঘোষিত সুযোগ-সুবিধাগুলো যদি প্রবাসীরা নির্বিঘ্নে পান, তবে বৈধ উপায়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে তিনি অতীতে বিএমইটি কার্ড সংক্রান্ত নানা হয়রানি ও প্রশাসনিক জটিলতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই প্রবাসী কার্ড সেবার ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি না হয়।
সরকারি উচ্চপর্যায়ের সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষামূলক বিতরণ কর্মসূচি সফল হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সকল প্রবাসীর হাতে এই প্রবাসী কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...