বিজ্ঞাপন
রোববার (২ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুরে গ্রামটির একটি গাছতলায় বসা প্রথাগত আদালতে স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলছিল। ওই সময় আদালত প্রাঙ্গণে বহু সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে আদালত চত্বরে ড্রোন হামলা চালানো হয়। সুদানের যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটির দাবি, হামলায় আদালতসংলগ্ন এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় সুদানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে স্থানীয় চারজন আদিবাসী নেতা এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর দুজন কমান্ডার রয়েছেন। বর্তমানে গারা আল-জাওয়াইয়া গ্রামটি আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
গ্রামটি কাবকাবিয়া শহরের কাছে এবং দারফুরের রাজধানী আল-ফাশের থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। দীর্ঘ সংঘর্ষের পর গত বছরের অক্টোবরে এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে আরএসএফ।
এদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার তদন্তকারীদের মতে, আল-ফাশের দখলের সময় আরএসএফের হামলায় গণহত্যার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিলে সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান এবং আরএসএফ প্রধান মোহাম্মদ হামদান দাগালোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের জেরে সুদানে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। তিন বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাতে লক্ষাধিক মানুষ নিহত এবং কোটি কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই সংঘাতে জড়িত উভয় পক্ষের ড্রোন হামলায় এক হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
সূত্র: দ্য নিউ আরব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...