বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই নীতি-নির্ধারণী সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিযোগিতাটিকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে উপজেলা পর্যায়ে একটির বদলে অন্তত চার থেকে পাঁচটি মাঠে একযোগে খেলার আয়োজন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) ইতোমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং নিজস্ব রাজস্ব খাত থেকে এই টুর্নামেন্টের ব্যয় নির্বাহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদ ও পৌরসভাগুলোকেও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে।
তৃণমূল থেকে নতুন ফুটবল প্রতিভা তুলে আনার গুরুত্ব জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, কোনো সাধারণ কলেজ, উচ্চবিদ্যালয়, কারিগরি প্রতিষ্ঠান বা মাদ্রাসা যদি ন্যূনতম একটি দল গঠন করতে না পারে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি ১১ বা ১৫ জনের দল গঠন করতে না পারার অর্থ হলো সেখানে শিক্ষার্থী সংকট রয়েছে, যা তদন্ত সাপেক্ষে এমপিও স্থগিতের কারণ হতে পারে।
টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিকে আরও জমকালো করতে মাঠ সংস্কারের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিশেষ বরাদ্দের অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রতিটি ভেন্যুতে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার নেতৃত্বে ভেন্যু কমিটি গঠন এবং খেলোয়াড়দের যাতায়াত ভাতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও গৃহীত হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের উপস্থিতিতে এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল এক ঐতিহাসিক রূপ নেবে বলে আশা করছে আয়োজকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...