Logo Logo

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালী, জেলায় শীর্ষে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়


Splash Image

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারের দিক থেকে নোয়াখালী জেলা সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকলেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শতভাগ পাসের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি থেকে সর্বোচ্চ ১৫২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জনের গৌরব লাভ করেছে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সকলেই সফলতা অর্জন করে। গত বছরের ধারা বজায় রেখে এবারও শতভাগ পাসের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টি জেলায় প্রথম স্থান অক্ষুণ্ণ রেখেছে।

জেলা ভিত্তিক তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী জিলা স্কুল। এ বিদ্যালয় থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩১ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নোয়াখালী জেলায় এবার গড় পাসের হার ৫৯.৯৮ শতাংশ, যা কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার (৬৫.৪২%) থেকে প্রায় ৫.৪৪ শতাংশ কম। গত বছর জেলায় পাসের হার ছিল ৪০.৪৩ শতাংশ, অর্থাৎ সার্বিক বিচারে এবার পাসের হার কিছুটা বেড়েছে।

পরীক্ষায় পাসের হার ও অংশগ্রহণে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে। তথ্যমতে, জেলায় মোট ১০ হাজার ৩৫৭ জন ছেলে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে ৬ হাজার ৮ জন। অন্যদিকে ১৪ হাজার ৭২৬ জন মেয়ে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৩৮ জন। সম্পূর্ণ জেলায় সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২১৭ জন শিক্ষার্থী এবং শতভাগ পাস করেছে মোট ৪টি প্রতিষ্ঠান।

উপজেলাভিত্তিক ফলাফলে পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা (৬৮.৬৮%), তবে সর্বোচ্চ ৬৩০টি জিপিএ-৫ পেয়ে এগিয়ে রয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা। অপরদিকে সবচেয়ে খারাপ ফল করেছে হাতিয়া উপজেলা, যেখানে পাসের হার মাত্র ৪৮.৭০ শতাংশ।

টানা সাফল্য প্রসঙ্গে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শিক্ষকমণ্ডলীর কঠোর নজরদারি, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত নিবিড় পাঠদান, অভিভাবকদের সময়োপযোগী তত্ত্বাবধান এবং শিক্ষার্থীদের নিরলস অধ্যবসায়ই এই অভাবনীয় ফলাফলের মূল চাবিকাঠি। আগামীতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে এখন থেকেই কার্যকর পাঠদান পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...