বিজ্ঞাপন
৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিবের কাছে বিআরটিসি থেকে চারটি বাস ভাড়ার অনুমোদন চাওয়া হয়। চিঠিতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে নতুন বাস ভাড়ার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে পবিপ্রবিতে পাঁচটি বাস ও চারটি মিনিবাস রয়েছে। এর মধ্যে একটি বাস ও দুটি মিনিবাস ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এগুলো নিলামে বিক্রির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বিআরটিএ পটুয়াখালী জোনের মূল্য নির্ধারণ অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্য নির্ধারিত হওয়ায় সেগুলো নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বাস ও দুটি মিনিবাস সচল রয়েছে। এর মধ্যে দুটি বাস ও একটি মিনিবাস শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বরিশাল-পটুয়াখালী রুটে যাতায়াতে নিয়মিত ব্যবহৃত হচ্ছে। অন্য দুটি বাস ও একটি মিনিবাস শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ও গবেষণা নির্বিঘ্নে পরিচালনার লক্ষ্যে বিআরটিসি থেকে চারটি বাস ভাড়া নেওয়ার জন্য ইউজিসির অনুমোদন চেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চিঠিতে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ২০২২ সালের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতিটি গাড়ির দৈনিক দুই ট্রিপে ৯০ কিলোমিটার যাতায়াতের জন্য ভাড়া নির্ধারণের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান বলেন, শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে এ সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব নয়। ফলে বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীকে বরিশাল ও পটুয়াখালী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিতে হচ্ছে। তাদের যাতায়াতের কারণে যাতে একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই ইউজিসির কাছে চারটি বাস ভাড়া নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাস কেনার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় নতুন বাস ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে বিকল্প হিসেবে বিআরটিসি থেকে চারটি বাস ভাড়া নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাসগুলো চালু হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা আরও সহজ হবে। পাশাপাশি আবাসন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্যও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...