বিজ্ঞাপন
গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঞারহাট বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে চরজব্বর থানা-পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
আটককৃতরা হলেন—কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের আব্দুর রহমানের ছেলে মো. ইসমাঈল (১৭) এবং একই ক্যাম্প ও ব্লকের জাফর আহমেদের মেয়ে নুমিনা খাতুন (১৬)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে পালিয়ে ইসমাঈল ও নুমিনা নোয়াখালীর উপকূলীয় জনপদ সুবর্ণচরের ভূঞারহাট এলাকায় আসেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে তাদের বেশভূষা ও কথাবার্তায় অসংলগ্নতা লক্ষ্য করে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাদের পথরোধ করে পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের একে অপরের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দেন এবং সুবর্ণচরে কেবল ঘুরতে এসেছেন বলে দাবি করেন। পরবর্তীতে তারা এলাকা ছেড়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে স্থানীয় একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে গেলে সন্দেহ আরও তীব্র হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের কাউন্টারে আটকে রেখে দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে চরজব্বর থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ওই দুই রোহিঙ্গা কিশোর-কিশোরীকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে আসে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, কক্সবাজার ও টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা বেষ্টনী অতিক্রম করে রোহিঙ্গাদের দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা আইনশৃঙ্খলার জন্য প্রতিনিয়ত উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ক্যাম্পগুলোতে যৌথ বাহিনীর নজরদারি ও কাঁটাতারের বেষ্টনী থাকা সত্ত্বেও নানা কৌশলে সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে অনেকে।
এ বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পুনরায় কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...