বিজ্ঞাপন
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাকেশ মল্লিককে ঘিরে বিভিন্ন সময় নানা দুর্নীতি ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ ও সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে একাধিক ব্যক্তি ও ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালা উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা ও কয়েকজন ঠিকাদার অভিযোগ করে জানান, জেলা পরিষদের যেকোনো সেবা বা কাজের সুযোগ পেতে গিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত নানামুখী হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। একই সাথে আর্থিক অনিয়ম ও লেনদেনের অভিযোগও তুলেছেন তারা। দীর্ঘ দিন ধরে এসব অনিয়ম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছিল।
এদিকে রাকেশ মল্লিকের রাজনৈতিক পরিচয় ও সম্পৃক্ততা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। স্থানীয়দের অনেকের দাবি, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে প্রভাব বিস্তার করতেন। তবে এ বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য দলীয় কাগজপত্র বা তাঁর নিজস্ব বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি দাবির পর্যায়েই রয়ে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ঠিকাদার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রাকেশ মল্লিকের বদলিতে তারা হয়রানি থেকে মুক্তির আশা করছেন। জেলা পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে সাধারণ মানুষ প্রকৃত সেবা পাবে।
তাঁর বদলির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তালা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এটি আলোচনার প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নবনিযুক্ত কর্মকর্তা জেলা পরিষদের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...