বিজ্ঞাপন
গত রোববার (৩০ আগস্ট) এ বিষয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে সমাজসেবা কর্মকর্তা সৌরভ রেজা শিহাব এসব কথা জানান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা এখনো বন্ধ করিনি; কেবল প্রাথমিকভাবে যাচাইয়ের মাধ্যমে চিহ্নিত করেছি মাত্র। কিন্তু কয়েকটি ইউনিয়নের কয়েকজন ইউপি মেম্বার ভাতাভোগীদের ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করছেন মর্মে মৌখিক অভিযোগ আসছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
সমাজসেবা কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতাভোগীদের তালিকা যাচাই-বাছাই একটি নিয়মিত ও চলমান প্রক্রিয়া। ফলে এ নিয়ে ভাতাভোগীদের আতঙ্কিত বা বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকারি ভাতা বন্ধ বা চালু রাখার নাম করে কোনো জনপ্রতিনিধি বা অন্য কোনো ব্যক্তি অর্থ দাবি করলে কাউকে টাকা না দেওয়ার জন্য তিনি কঠোরভাবে সতর্ক করেন।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ ভাতাভোগীদের ভয় দেখিয়ে, অসত্য তথ্য দিয়ে কিংবা ভাতা বন্ধের অজুহাতে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে, তবে ভুক্তভোগীদের অবিলম্বে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে জানাতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসদুপায় বরদাস্ত করা হবে না।
অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত চক্র বা জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে কঠোর রূপরেখা টেনে সৌরভ রেজা শিহাব বলেন, “আপনাদের এ রকম প্রতারণার সঙ্গে জড়িত না হতে প্রথমবারের মতো বিনীত অনুরোধ করছি। দ্বিতীয়বার কিন্তু কোনো অনুরোধ করব না—তিনি যেই হোন না কেন।”
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার এই আশ্বাসের পর স্থানীয় প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের মধ্যে তৈরি হওয়া সাময়িক উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। স্থানীয় ভাতাভোগী ও বাসিন্দারা জানান, সরকারি সহায়তা নিয়ে কোনো অসাধু মহল বা জনপ্রতিনিধি ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় যেন প্রকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সঠিকভাবে নিয়ম অনুযায়ী সরকারি সুবিধা পান। এজন্য স্বচ্ছ তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি অর্থ দাবির প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...