Logo Logo

সৈয়দপুরে পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার গ্রেনেড উদ্ধার


Splash Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কার বএকটি সক্রিয় হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১৩।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহের পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।

গ্রেনেড উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় র‌্যাব-১৩-এর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে উদ্ধার করা গ্রেনেডটি সৈয়দপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই পুকুরে গোসল করতে নামেন তানভির ও আনসারুল নামে দুই যুবক। এ সময় পানির নিচে থাকা একটি বস্তুর সঙ্গে তানভিরের পায়ের স্পর্শ লাগে। পরে তারা বস্তুটি পানি থেকে তুলে পুকুরপাড়ে নিয়ে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করেন। একপর্যায়ে সেটি আবার পুকুরে ফেলে দেন তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি সৈয়দপুর থানায় জানানো হলেও প্রথমে সেটিকে খেলনা বলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পরে স্থানীয়রা র‌্যাবকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে শুক্রবার র‌্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।

নীলফামারী র‌্যাবের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এ টি এম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবিরের নেতৃত্বে র‌্যাব সদস্যরা পুকুর থেকে গ্রেনেডসদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করেন। পরে এটি সক্রিয় গ্রেনেড হতে পারে বলে ধারণা হওয়ায় রংপুর থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।

সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা গ্রেনেডটি পরীক্ষা করেন। র‌্যাবের প্রাথমিক ধারণা, এটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবহৃত কোনো গ্রেনেড নয়। এটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অথবা তারও আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হতে পারে। গ্রেনেডটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পুকুরটিতে আরও কোনো গ্রেনেড বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে পানি সেচে তল্লাশি চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

র‌্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির বলেন, ‘আমরা দুপুরে সংবাদ পাই। এখানে এসে দেখি এটি গ্রেনেডসদৃশ একটি বস্তু। এটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবহৃত কোনো গ্রেনেড নয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ১৯৭১ সালের অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হতে পারে। এটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বলে আমরা ধারণা করছি।’

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...