Logo Logo

মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ডাকাতি: গ্রেপ্তার ৫, লুণ্ঠিত গাড়ি ও মালামাল উদ্ধার


Splash Image

নরসিংদীর মনোহরদীতে ডিমবোঝাই পিকআপ ভ্যান ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় লুণ্ঠিত পিকআপ ভ্যান, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ, ৯৮টি খালি ডিমের ক্যারেট এবং ডিম বিক্রির ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


শুক্রবার ও শনিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার দুপুরে মনোহরদী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নরসিংদীর সহকারী পুলিশ সুপার (শিবপুর সার্কেল) রায়হান সরকার।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বড়নগর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ইমন (২৮), একই গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. রিফাত হৃদয় (২৮), কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মুন্না ওরফে রুমান, কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ভূঁইয়ারপাড় গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রহমত আলী ওরফে জিল্লুর এবং নোয়াখালী জেলার সেনবাগ পৌরসভার আবু তাহেরের ছেলে জসিম উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১টার দিকে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ সড়কের মনোহরদী উপজেলার একদুয়ারিয়া ইউনিয়নের চঙ্গভান্ডা এলাকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি পিকআপ দিয়ে ডিমবোঝাই পিকআপ ভ্যানটির গতিরোধ করে ডাকাতরা। পরে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়ির চালক ও তার সহযোগীর হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়।

একপর্যায়ে চালক ও তার সহযোগীকে ডাকাতদের ব্যবহৃত পিকআপে তুলে হেতেমদী-সাগরদী বাইপাস সড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ডিমবোঝাই পিকআপটি নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।

এ ঘটনায় ডিমবোঝাই পিকআপের মালিক মো. মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় মামলা করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার রায়হান সরকার জানান, মামলা দায়েরের পর নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর মহাসড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার নোয়াখালীর সেনবাগ দক্ষিণ বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে লুণ্ঠিত ডিমের ক্রেতা ও ডাকাতদের পূর্বপরিচিত জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত পিকআপ ভ্যান, ৯৮টি খালি ডিমের ক্যারেট এবং ডিম বিক্রির ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তারা বিভিন্ন জেলার সড়ক ও মহাসড়কে নিয়মিত ডাকাতি করে আসছিল। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, এসআই শহীদুজ্জামান এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোবারক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...