বিজ্ঞাপন
উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের যপন রায়ের বাড়ির সংলগ্ন এলজিইডির সড়কটির একটি একাংশ মারাত্মকভাবে ভেঙে গিয়ে চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, ননীক্ষীর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জলিরপাড় থেকে মুকসুদপুরগামী আঞ্চলিক সড়কের 'ব্যাঙ্গারা পুকুরপাড়' এলাকাতেও একই ধরনের ভাঙন দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উভয় সড়কেরই এক পাশের মাটি ও পাকা পিচ ধসে গিয়ে খাদের মতো সৃষ্টি হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সড়কের ভাঙা অংশ দৃশ্যমান না থাকায় দূর থেকে আসা দ্রুতগতির যানবাহনগুলো যেকোনো মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যেতে পারে। বিশেষ করে অনভিজ্ঞ চালক ও বাইকারদের জন্য এই স্থানগুলো মারাত্মক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়ক দুটিতে প্রতিনিয়ত চলাচলকারী পথচারী ও পথচারী নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানান, পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সতর্কতামূলক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়নি।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের কোনো প্রাণহানি বা দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে রাতের বেলায় দূর থেকে ভাঙন এলাকা স্পষ্ট বোঝার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে লাল পতাকা বা প্রতিফলক সতর্কতামূলক চিহ্ন বসানোর জোর তাগিদ দিয়েছেন তারা। অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে এলজিইডি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...