বিজ্ঞাপন
গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাস সড়কে অবস্থিত সড়ক বিভাগের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
সওজ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন সকালে মাগুরা-শ্রীপুর বাইপাস সড়কে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি পানির ট্যাংকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় ছিটকে পড়েন বাসশ্রমিক বাশারুল ইসলাম। পরে ট্যাংকারের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এ দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে নির্মাণকাজের ঠিকাদারের এক প্রতিনিধি সওজ কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। পরে স্থানীয় দুই শতাধিক বিক্ষুব্ধ ব্যক্তি কার্যালয়ে প্রবেশ করে হামলা ও ভাঙচুর চালান বলে সওজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ সময় কার্যালয়ের দুই কর্মচারীকে মারধর করে আহত করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
হামলায় কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
তবে ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কাউকে আটকও করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে মাগুরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কায়সার হামিদ বলেন, “এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। কাউকে আটকও করা যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে সরকারি দপ্তরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের ভাষ্য, কোনো দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ বা প্রতিবাদ থাকতেই পারে। তবে সরকারি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের মারধর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রতিবেদক- মোঃ রাজিব হোসেন, মাগুরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...