বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ভূমি মালিক ও সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় জমি সংক্রান্ত অতি জরুরি কাজ যেমন—নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পাত্তি, শুনানি গ্রহণ, খাজনা প্রদান, ভূমি রেকর্ড সংশোধন এবং জমা পড়া বিভিন্ন অভিযোগের ফাইল বন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে জমি ক্রয়-বিক্রয় ও উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি হালনাগাদ প্রক্রিয়ায়। প্রয়োজনীয় কাজের জন্য অফিসে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা এবং দিনের পর দিন ঘুরেই খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
ভুক্তভোগীরা জানান, ভূমি সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও সম্পত্তি সংক্রান্ত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এমন একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় সেবার স্বাভাবিক গতি যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি প্রতিনিয়ত বাড়ছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। তারা মনে করেন, একজন স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকলে আবেদনগুলো দ্রুত পর্যালোচনা ও নিষ্পত্তি হওয়ার পাশাপাশি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়।
ভূমি কর্মকর্তা না থাকায় জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন উল্লেখ করে দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন জনগণ। তাদের মতে, বর্তমান সরকার যখন ভূমি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে, তখন গোপালগঞ্জের বাসিন্দারা কেন এই মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তারা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় অনতিবিলম্বে নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে স্থায়ী কর্মকর্তা যোগদানের আগ পর্যন্ত সাময়িকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি ফাইল ও আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রতিবেদক- এম টি রহমান মাহমুদ, গোপালগঞ্জ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...