ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ৭ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজশাহীর দুই ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিম ও তানজিদ হাসান তামিম দারুণ সূচনা এনে দেন। উদ্বোধনী জুটিতে তারা ৫ ওভারে ৪৭ রান যোগ করেন। ২০ রান করে তানজিদ আউট হলেও পরের ব্যাটাররা ব্যর্থ হন। দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত করেন মাত্র ১ রান, আর মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ১৯ রান।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। এই ডানহাতি ব্যাটার ৩৫ বলে ৬০ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির রাব্বী ৯ ও এসএম মেহেরব ৮ রানে বিদায় নেন। শেষদিকে তানজিম হাসান সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন রায়ান বার্ল। বার্ল ১৯ ও তানজিম ১ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেস পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে কোনো উইকেট না হারালেও তোলে মাত্র ৪১ রান। দলীয় ৫৭ রানে দীপুর বিদায়ে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। ২৮ বলে ৩০ রান করা দীপুকে এলবিডব্লিউ করেন রিপন মণ্ডল। এরপর মাজ সাদাকাত ১৩ বলে ৭ রান করে আউট হন।
নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন সৌম্য সরকার। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ হলেও এই ম্যাচে ৪৩ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ নবি ২৬ বলে ৩৫ রান এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৫ বলে করেন ১০ রান। অধিনায়ক হায়দার আলি করেন ৬ বলে ৩ রান। শেষদিকে জাকের আলি অনিক ব্যাটিংয়ের সুযোগই পাননি। সবমিলিয়ে টেনেটুনে ১৫১ রান তুলতে সক্ষম হয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
বোলিংয়ে রাজশাহীর হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিপন মণ্ডল। তিনি ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন। এ ছাড়া নাজমুল হোসেন শান্ত, বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ একটি করে উইকেট নেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...