ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
জেদ্দার কিং আব্দুল্লা স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু থেকেই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। প্রথমার্ধেই আসে পাঁচ গোলের চারটি, যার তিনটিই হয় ইনজুরি টাইমে। শুরুতে সমানতালে লড়াই চললেও ম্যাচের আধাঘণ্টা পার হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। ৩৬তম মিনিটে রাফিনহা বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
প্রথমার্ধের স্টপেজ টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদ সমতা ফেরায়। হাফওয়ে লাইনের কাছ থেকে বল নিয়ে বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে দুই বার্সা ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে চমৎকার একক প্রচেষ্টায় গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে নাটক এখানেই শেষ নয়। দুই মিনিট পর পেনাল্টি এরিয়াতে সুযোগ পেয়ে চিপ শটে বার্সাকে আবার এগিয়ে দেন রবার্ট লেভানডোভস্কি।
এরপর রিয়াল কর্নার থেকে ফের সমতায় ফেরে। রাফিনহা গোললাইন থেকে বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ফিরতি শটে গনসালো গার্সিয়ার নেওয়া শট বার ও পোস্টে লেগে লাইন অতিক্রম করে। ফলে বিরতিতে যাওয়ার আগে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-২।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ৭৩তম মিনিটে বক্সে ঢুকে শট নিতে গিয়ে পিছলে পড়েন রাফিনহা। তার শট রিয়াল ডিফেন্ডার রাউল আসেনসিওর গায়ে লেগে গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দিকে গেলেও ভুল পা বাড়িয়ে বল ঠেকাতে ব্যর্থ হন তিনি। এতে ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।
এর তিন মিনিট পর হাঁটুর চোট কাটিয়ে বদলি হিসেবে নামেন কিলিয়ান এমবাপে। তবে বাকি সময়ে সমতা ফেরাতে পারেননি ফরাসি তারকা। ম্যাচের শেষদিকে উত্তেজনা আরও বাড়ে। ৯০ মিনিটের পর এমবাপেকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন বার্সেলোনার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়াং। ১০ জনের দল হয়েও বার্সা শেষ মুহূর্তে দৃঢ়তা দেখায়।
ইনজুরি টাইমে রিয়াল মাদ্রিদ বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও বার্সা গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া আলভারো কারেরাস ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোর শট ঠেকিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।
এই জয়ের মাধ্যমে স্প্যানিশ সুপার কাপে নিজেদের ১৬তম ট্রফি ঘরে তুলল বার্সা। গত বছরও রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে এই শিরোপা জিতেছিল তারা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...