ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে কোয়াব সভাপতি ও জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, “আমরা মাঠে ফিরবো একটি শর্তেই—বিসিবি থেকে এসে যদি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই ব্যক্তি বোর্ডে থাকবেন না। তিনি বোর্ডে থাকলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় ক্রিকেটাররা নেবে না।”
মিঠুন আরও যোগ করেন, “অসহায় হয়ে আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আমরা খেলার বিপক্ষে নই, কিন্তু আত্মসম্মানের একটি সীমা আছে। ওনার মন্তব্যের মাধ্যমে প্রত্যেকটি সেক্টরকে অপমান করা হয়েছে। ক্রিকেটের প্রতি ওনার কোনো ন্যূনতম সম্মান নেই।”
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার (১৪ জানুয়ারি), যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে বিসিবির আয়োজিত দোয়া মাহফিল শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন নাজমুল ইসলাম। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ও ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “ওরা (ক্রিকেটাররা) গিয়ে যদি কিছুই করতে না পারে, তবে ওদের পেছনে আমরা যে কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, সেই টাকা কি আমরা ফেরত চেয়েছি?”
তিনি আরও যোগ করেন, “আজ পর্যন্ত আমরা একটাও বৈশ্বিক অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি? আমরা তো বলতেই পারি যে, তোমরা যেহেতু খেলতে পারনি, তাই তোমাদের পেছনে যা খরচ হয়েছে তা এবার ফেরত দাও।”
বিসিবি পরিচালকের এমন মন্তব্যের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সর্বত্র তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। ক্রিকেটাররা মনে করছেন, পারফরম্যান্সের দোহাই দিয়ে তাঁদের পেশাদারিত্ব এবং সম্মানকে ধূলিসাৎ করেছেন নাজমুল ইসলাম। বর্তমান পরিস্থিতিতে বোর্ড সংশ্লিষ্ট ওই পরিচালকের পদত্যাগ বা অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক—কোনো ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার বিষয়ে ক্রিকেটাররা এখন পর্যন্ত অনড় রয়েছেন।
এখন দেখার বিষয়, বিসিবি এই সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...