ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
বিসিবির তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন মিজানুর রহমান বাবুল, টিম ডিরেক্টর হন হাবিবুল বাশার সুমন, টিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পান নাফিস ইকবাল। সঙ্গে কোচিং স্টাফে ছিলেন তুষার ইমরান ও মুমিনুল হক। শুরুর দিকে সীমিত বিদেশি খেলোয়াড়, জার্সি সংকটসহ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হলেও ধীরে ধীরে দলটি ছন্দ খুঁজে পায়। বিশেষ করে অ্যাডাম রসিংটনের যোগ দেওয়ার পর দলটির শক্তি ও আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যাটিং কোচ তুষার ইমরান বলেন, কাগজে-কলমে অনেক শক্তিশালী দল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলেও চট্টগ্রামের ক্রিকেটাররাই মাঠের পারফরম্যান্সে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। শেষ কয়েক ম্যাচে ব্যাটিং পুরোপুরি সফল না হলেও সঠিক সময়ে মোমেন্টাম পাওয়া এবং সঠিক খেলোয়াড় বাছাইয়ের কারণেই সাফল্য এসেছে বলে জানান তিনি। সহকারী কোচ মুমিনুল হকও স্থানীয় খেলোয়াড়দের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, শুরু থেকেই দলের পরিবেশ ছিল ইতিবাচক, যা পারফরম্যান্সে বড় ভূমিকা রেখেছে।
টিম ডিরেক্টর হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, শুরুতে দলের লক্ষ্য ছিল সম্মানের সঙ্গে টুর্নামেন্ট শেষ করা, সেখান থেকে ফাইনালে ওঠা সত্যিই আনন্দের। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দল চ্যাম্পিয়ন হলে বিসিবি বোনাসের বিষয়টি বিবেচনা করবে। অন্যদিকে টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দল গোছানো, জার্সি প্রস্তুত করা ও বিদেশি খেলোয়াড় আনা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, তবে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব হয়েছে।
প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুল বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে দলকে ফাইনালে তুলতে পারা তার জন্যও গর্বের। ক্রিকেটারদের মধ্যে বন্ধন তৈরি করাই ছিল তার মূল লক্ষ্য, যা মাঠের পারফরম্যান্সে প্রতিফলিত হয়েছে। এখন লক্ষ্য একটাই—ফাইনালে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলানো। নাটকীয় উত্থানের পর চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই ফাইনাল যাত্রা বিপিএলের ইতিহাসে ইতোমধ্যেই একটি অনুপ্রেরণামূলক গল্প হয়ে উঠেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...