বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর এবং কাশিয়ানী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মো. জাকারিয়া ও গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১২ নভেম্বর মাদ্রাসার জনবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) মো. ওবায়দুর রহমান এবং সহকারী শিক্ষক এস এম জাহিদুল আলম আরও ২-৩ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির যোগসাজসে মাদ্রাসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের পাসওয়ার্ড চুরি করেন। পরবর্তীতে তারা ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ এবং জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত রেজাল্ট শিটসহ বিভিন্ন জরুরি নথিপত্র সরিয়ে ফেলেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা স্বাক্ষর জাল করে রেজুলেশন তৈরি করে নিয়োগপত্র ইস্যু করেন। এক পর্যায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ডিজি অফিসে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, কোনো বৈধ প্রক্রিয়া ছাড়াই অনলাইনের মাধ্যমে সহকারী অধ্যাপক ওবায়দুর রহমানের ছেলে মো. মুজাহিদকে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, সহকারী শিক্ষক এস এম জাহিদুল আলমের ছেলে রিয়ান মোল্যাকে গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী ও পিঙ্গলিয়া সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমানের ভাগ্নে মো. মোফাচ্ছলকে নিরাপত্তা কর্মী পদে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জাকারিয়া অভিযোগে জানান, বর্তমানে মাদ্রাসার জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত মূল রেজুলেশনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ চুরির ঘটনায় মাদ্রাসার প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের অনিয়ম হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হারিয়ে যাওয়া নথি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
এ অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয় প্রধান অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরাও এ ব্যাপারে উচ্চ আদালতে আইনের আশ্রয় নেব।’
কাশিয়ানী থানার ওসি মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...