বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুসিয়া মাদ্রাসাসংলগ্ন কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে এই জিয়ারত সম্পন্ন করেন।
কবর জিয়ারতের পর আসিফ মাহমুদ মরহুম এই দুই বরেণ্য আলেমের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি তাঁদের বর্ণাঢ্য জীবন, ইসলামি শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারে তাঁদের অবিস্মরণীয় অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, “ফখরে বাঙাল তাজুল ইসলাম (রহ.) এবং মুফতি নুরুল্লাহ (রহ.) ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ ও অকুতোভয় বক্তা। ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, নৈতিকতা ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁদের আদর্শ আমাদের জন্য চিরকালীন অনুপ্রেরণা।”
কবর জিয়ারতের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহসিন হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) মো. আতাউল্লাহ, এনসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠক জিহান মাহমুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনের ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল হক চৌধুরীসহ এনসিপির স্থানীয় নেতাকর্মী, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
উপস্থিত নেতাকর্মীরা মরহুম দুই আলেমের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন, আদর্শিক রাজনীতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় এই মনীষীদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
উল্লেখ্য, ফখরে বাঙাল হযরত তাজুল ইসলাম (রহ.) এবং মুফতি নুরুল্লাহ (রহ.) ছিলেন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতনামা ইসলামী চিন্তাবিদ, বক্তা ও সমাজসংস্কারক। ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা, অইসলামিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের প্রশ্নে তাঁদের অবদান আজও মানুষের মাঝে গভীরভাবে স্মরণীয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...