বিজ্ঞাপন
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মোছাদ্দিকুল আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলা পুলিশের সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম (পিপিএম), ইসলামিক ফাউন্ডেশন রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোস্তাফা মনসুর আলম খান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. লুৎফুল কবীর সরকার, মাওলানা মোহাম্মদ আবুল কালাম কাসেমী, নীলফামারী আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ মুছা এবং নীলফামারী কেন্দ্রীয় বড় মসজিদের খতিব মাওলানা খন্দকার আশরাফুল হক নূরী।
সম্মেলনে বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর সংস্কারে সরকারি দল ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে উভয় পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা জানান তারা। পাশাপাশি সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান বহাল থাকবে এবং কোনো একক দল সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না বলেও উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতিদের নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়।
সম্মেলনে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি সম্প্রসারণ এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ না করার নিশ্চয়তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত কোনো অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছামতো ক্ষমা করতে পারবেন না এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কথা জানান বক্তারা।
এসময় জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইমাম, আলেম ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...