বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি উপপ্রধান বলেন, “ইরান নিজে থেকে কোনো যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো যুদ্ধের মোকাবিলা করতে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। যদি আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়, তবে পিছু হটার কোনো সুযোগ নেই। ইরান বরং সম্মুখপানে অগ্রসর হবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেলবাহী রুট হরমুজ প্রণালী ইরান তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে দাবি করেছেন আকবরজাদেহ। তিনি জানান, ইরান এখন আর পুরোনো পদ্ধতিতে প্রণালী পর্যবেক্ষণ করছে না। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে আকাশ, সমুদ্রপৃষ্ঠ এবং পানির তলদেশ—সবই এখন ইরানের ‘বুদ্ধিদীপ্ত’ নজরদারিতে রয়েছে।
এমনকি ভিনদেশি পতাকা ব্যবহার করে কোনো জাহাজ এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে কি না, সেই সিদ্ধান্তও ইরান এককভাবে নেওয়ার সক্ষমতা রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মোহাম্মদ আকবরজাদেহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে তাদের কোনোভাবেই লাভবান হতে দেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইরান চায় না বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হোক। কিন্তু যারা যুদ্ধ শুরু করবে, তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোর উদ্দেশে একটি কঠোর বার্তা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, যেসব প্রতিবেশী দেশ তাদের ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে ব্যবহারের অনুমতি দেবে, তেহরান সরাসরি সেই দেশগুলোকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করবে।
বিপ্লবী গার্ডের এই শীর্ষ কর্মকর্তা দাবি করেন যে, ইরানের ভাণ্ডারে এমন কিছু ‘অজানা সামরিক সক্ষমতা’ ও অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে যা বিশ্ব এখনো দেখেনি। সময় সুযোগমতো সেই সক্ষমতাগুলো শত্রুপক্ষের সামনে প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...