বিজ্ঞাপন
এনসিপি সূত্র ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণার উদ্দেশ্যে আজ সকালে মুম্বাই থেকে বারামতীর উদ্দেশ্যে একটি বেসরকারি চার্টার্ড বিমানে (লিয়ারজেট ৪৫) রওনা হয়েছিলেন অজিত পাওয়ার। সকাল পৌনে ৯টার দিকে বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের আগমুহূর্তে বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রানওয়েতে নামার পরপরই বিমানটিতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই তা আগুনের কুণ্ডলীতে পরিণত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত বিমানটি পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গেছে এবং এর কোনো অংশই আর অবশিষ্ট নেই।
ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিজিসিএ) নিশ্চিত করেছে যে, বিধ্বস্ত বিমানটিতে থাকা পাঁচজন আরোহীর সবাই প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, তাঁর দুইজন দেহরক্ষী ও বিমানের দুইজন পাইলট।
অজিত পাওয়ার ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিবীদ ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শারদ পাওয়ারের ভ্রাতুষ্পুত্র। চাচার পথ ধরে রাজনীতিতে এলেও পরবর্তীতে এনসিপি-তে বিভক্তি ঘটিয়ে বর্তমান ‘মহাজুটি’ সরকারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হয়ে ওঠেন তিনি। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। মহারাষ্ট্র সরকার তাঁর স্মরণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।
উল্লেখ্য, আজ বারামতী জেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁর চারটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ডিজিসিএ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...