বিজ্ঞাপন
মামলার ২৩ আসামির মধ্যে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড, চারজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিদের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার গোপালগঞ্জ শিশু আদালতে চলছে। আর এক আসামি বিচার চলাকালে মারা গেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী ও ঝন্টু শেখ।
আমৃত্যু কারাদণ্ড পেয়েছেন— মিন্টু শেখ, কেনাই মোল্লা, আলীমুজ্জামান বিটু এবং প্রিন্স খাঁ।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ইকবাল খাঁ, টুটুল শেখ, রনি শেখ, আক্রাম আলী, হাবিল কাজী, বুলগান কাজী, সজিব শেখ, পনির শেখ, সিহাব শেখ, রাশেদ শেখ ওরফে রাশেদ খাঁ এবং শওকত শেখ।
আদালত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা এই তথ্য জানিয়েছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এস এম শরীফুল ইসলাম রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “আশা করছি, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।”
ঘটনার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বাসু কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস থেকে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফেরার পথে একদল হামলাকারীর দ্বারা কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে তিনি মারা যান।
ঘটনার পর ১৯ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর থানায় বাসুর ছোট ভাই জাসু শেখ মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ১২ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোলাপগঞ্জ সদর থানার এসআই হযরত আলী ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।
২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটি ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ হস্তান্তর করা হয়। মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আত্মপক্ষ শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...