বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছোট ভাই মোঃ তরিকুল ইসলাম সজল গোপালগঞ্জ-০১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মুকসুদপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুল বর্তমানে একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে থাকলেও এলাকায় তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা তাঁর এই জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে প্রচারণা নষ্ট করছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছোট ভাই মোঃ তরিকুল ইসলাম সজল বলেন, “আমাদের প্রার্থীর ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় প্রচার মাইক বাজাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখার দাবি জানাচ্ছি।”
কারাগারে থাকা প্রার্থী শিমুলের পক্ষ থেকে তাঁর সমর্থকরা জানান, এ ধরনের অপতৎপরতা চালিয়ে তাদের বিজয় ঠেকানো যাবে না। ভোটাররা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার এই অগণতান্ত্রিক আচরণের জবাব ১২ই ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দেবেন এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের মালা তাদেরই হবে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ-০১ আসনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহামুদ আশিক কবির। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগকারীকে দায়িত্বরত বিচারিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা এবং সিনিয়র সিভিল জজ মোঃ সালাহ উদ্দিন বলেন, “অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। সত্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সাক্ষ্যগ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি। প্রমাণ সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে গোপালগঞ্জ-০১ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। সাধারণ ভোটাররা আশা করছেন, প্রশাসন কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...