বিজ্ঞাপন
নতুন নৌবহর মোতায়েনের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি ইরানকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “এ মুহূর্তে আরেকটি চমৎকার ও শক্তিশালী নৌবহর ইরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করি, তারা (ইরান) শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে।”
এর আগে সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, বর্তমানে ইরানের জলসীমার কাছাকাছি ভেনেজুয়েলার চেয়েও বিশাল আকৃতির নৌবহর অবস্থান করছে। এখন দ্বিতীয় আরেকটি নৌবহর পাঠানোর মাধ্যমে চাপ আরও বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানের দিকে আসার আগে এই মার্কিন রণতরী ও যুদ্ধজাহাজগুলো ভেনেজুয়েলার উপকূলে মোতায়েন ছিল। কয়েক মাস সেখানে অবস্থানের পর গত ৩ জানুয়ারি এক নাটকীয় অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা অপহরণ করে নিয়ে আসে। সেই সফল অভিযানের পরই ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে ইরানের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ট্রাম্প এক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরও দাবি করেন যে, তেহরান আসলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে আসতে আগ্রহী। তিনি বলেন, “তারা চুক্তি করতে চায়। আমি জানি তারা এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেছে এবং কথা বলতে চাইছে।”
তবে দ্বিতীয় যে নৌবহরটি ইরানের দিকে রওনা হয়েছে, সেটির নাম বা রণতরীগুলোর ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। এই সামরিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান উত্তেজনাকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...