তারেক রহমান। ছবি সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো যদি সঠিক হয়, তবে আগামী বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ৬০ বছর বয়সী তারেক রহমানের ভাগ্যে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিয়ে আসতে যাচ্ছে। ২০০৮ সালে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ার পর এটিই তার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিজয় হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটে। এর আগে দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত বছরের ডিসেম্বরে বড়দিনের সময় দেশে ফিরলে লক্ষ লক্ষ মানুষ তাকে রাজকীয় সংবর্ধনা জানায়। বর্তমানে শেখ হাসিনা দিল্লিতে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন।
তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তার মা বেগম খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করেছেন। তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম ঘোষক এবং ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন।
তারেক রহমান তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি কোনো নির্দিষ্ট একটি দেশের ওপর অতি-নির্ভরশীল না হয়ে বরং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চান। শেখ হাসিনা সরকারের দিল্লির প্রতি অতি-ঘনিষ্ঠ নীতির বিপরীতে তিনি একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেছেন, "প্রতিশোধ কারো জীবনে কল্যাণ নিয়ে আসে না; প্রতিশোধের রাজনীতির কারণে মানুষকে দেশ ছাড়তে হয়।"
তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন টেকসই শান্তি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...