বিজ্ঞাপন
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন হয় বিরোধী দলগুলোর বয়কটের মুখে পড়েছে অথবা তাদের অংশগ্রহণ ছিল অত্যন্ত সীমিত। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে ২০০৯ সালের পর প্রথম প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ (এনসিপি) তাদের আন্দোলনকে একক নির্বাচনী ভিত্তিতে রূপ দিতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়েছে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে বিএনপি ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯২টিতে প্রার্থী দিয়ে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হয়ে এককভাবে সরকার গঠনের বিষয়ে তার দল সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী।
অধ্যাপক ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটারদের রায় নির্ধারিত করবে বাংলাদেশের আগামীর রাজনৈতিক গতিপথ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...