বিজ্ঞাপন
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি লাঙ্গল প্রতীকের এই প্রার্থিতা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জিয়াউল হক মৃধা অভিযোগ করেন, প্রার্থিতা বৈধ হওয়ার পর থেকে তিনি স্বাধীনভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারছিলেন না। প্রচারণা চলাকালে তিনি নিজে এবং তার দলীয় কর্মীরা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও গ্রেফতারের হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন। এমন প্রতিকূল পরিবেশে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পরামর্শ করেই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। এ সময় তিনি তার ভোটার, শুভাকাঙ্ক্ষী ও নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য আন্তরিক ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও বর্তমানে আরও ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...