বিজ্ঞাপন
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুশতাক আহমদ বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে না পারা এবং জোটের একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় দলীয় স্বার্থ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতেই মূলত তিনি নির্বাচনী লড়াই থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আমরা শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় ‘দেওয়াল ঘড়ি’ প্রতীক নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছি এবং জনগণের বিপুল সাড়া পেয়েছি। কিন্তু জোটের ভেতরে একক প্রার্থী নির্ধারণে লিয়াজোঁ কমিটি একাধিকবার বৈঠক করেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
শেখ মুশতাক আহমদ স্পষ্ট করে জানান যে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও তিনি বা তার দল খেলাফত মজলিস অন্য কোনো নির্দিষ্ট দল বা প্রার্থীকে সমর্থন দেবে না। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা এই নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, পৌর সভাপতি মাওলানা সোহেল আহমদ সুনু, সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আমিনুল ইসলাম এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলা খেলাফত মজলিসের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাজ্জাদুর রহমান।
উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ-৩ আসনটি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এই আসনে শেখ মুশতাক আহমদ সরে দাঁড়ালেও নির্বাচনী মাঠে এখনও রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহিনুর পাশা চৌধুরী (রিকশা প্রতীক) এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল প্রতীক)।
শেখ মুশতাক আহমদের এই আকস্মিক বিদায়ে ওই আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মোড় নিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...