বিজ্ঞাপন
প্রতি বছর ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালের সেই ঐতিহাসিক দিবসের স্মরণে এই সভা আয়োজিত হয়, যখন ইরানের বিমান বাহিনীর একদল কর্মকর্তা বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিলেন। ১৯৮৯ সালে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রতিবছর এই দিনে বিমান বাহিনীর সদস্য ও কমান্ডারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন খামেনি। এমনকি করোনা মহামারীর চরম সংকটের সময়েও তিনি এই রীতি বজায় রেখেছিলেন।
এবার খামেনির পরিবর্তে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আব্দুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই রীতির আকস্মিক বিচ্যুতিতে খামেনির নিরাপত্তা ও বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দফায় দফায় ইরানে তুমুল হামলা চালানোর হুমকি দিয়ে আসছেন। এছাড়া ইসরায়েলও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হামলা চালিয়ে সরকার পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। এমন যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কি খামেনি জনসমক্ষে আসা এড়িয়ে চলছেন—সেই প্রশ্নটি এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের মুখে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই অনুপস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা কৌশলের কোনো বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে খামেনির অনুপস্থিতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...