বিজ্ঞাপন
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ এই আবেদনটি দাখিল করেন।
রিট আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং অফিসার এবং মো. নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল কমনওয়েলথ অফ ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। হলফনামায় এই তথ্য গোপন করা সংবিধানের ৬৬ (২) (গ) অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন, যা তাকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য করে তোলে।
বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামীকাল মঙ্গলবার এই রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। এর আগে নাহিদ ইসলাম নিজেও এই আসনের বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে রিট করেছিলেন, যা আদালত খারিজ করে দেয়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসনে বর্তমানে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
উল্লেখ্য, এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ। এছাড়াও স্বতন্ত্র ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের বেশ কয়েকজন প্রার্থী এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে এই আইনি লড়াই রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...