বিজ্ঞাপন
ক্রিকেটের আইনে করমর্দন বাধ্যতামূলক না হলেও ‘ভদ্রলোকের খেলা’র দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অংশ এটি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভারত–পাকিস্তান দ্বৈরথে সেই দৃশ্য খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ-এ একাধিকবার মুখোমুখি হলেও দুই দলের ক্রিকেটারদের হাত মেলাতে দেখা যায়নি। অনূর্ধ্ব-১৯ ও নারী বিশ্বকাপেও একই ধরনের ঘটনা নজরে এসেছে, যা নিয়ে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে করমর্দন বিতর্ককে বাড়তি গুরুত্ব দিতে নারাজ ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার হরভজন সিং। তাঁর মতে, সৌজন্য প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ইচ্ছার বিষয়। হরভজন বলেন, “এটা পুরোপুরি খেলোয়াড়দের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। কোথাও লেখা নেই যে ম্যাচ শেষে হাত মেলাতেই হবে বা আলিঙ্গন করতেই হবে। মাঠে নেমে নিজেদের সেরাটা দেওয়াই আসল।”
অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের উদাহরণ টেনে ‘ভাজ্জি’ আরও যোগ করেন, “যদি মনে হয় ম্যাচের পর করমর্দন দরকার বা আলিঙ্গন করা উচিত, সেটি ভালো বিষয়। তবে ক্রিকেটকে ক্রিকেট হিসেবেই দেখা উচিত।”
আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রেমাদাসার মাঠে জমজমাট লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন সমর্থকেরা। তবে ম্যাচের উত্তাপের পাশাপাশি ক্যামেরার লেন্স থাকবে আরেক দৃশ্যের খোঁজে—দুই দলের খেলোয়াড়দের সম্ভাব্য করমর্দন। সেটি দেখা যাবে, নাকি মাঠের বাইরের উত্তেজনা মাঠেও অদৃশ্য দূরত্ব বজায় রাখবে—সেই প্রশ্নই এখন আলোচনায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...