বিজ্ঞাপন
শপথ কক্ষের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নবনির্বাচিত সকল সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলীয় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে জানান যে, বিদ্যমান সাংবিধানিক জটিলতার কারণে তারা আজ এই দ্বিতীয় শপথে অংশ নিচ্ছেন না।
সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে সাদা ও নীল রঙের দুটি পৃথক ফরম প্রদর্শন করেন। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, নির্বাচনে তারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি। এছাড়া বর্তমান সংবিধানে এই পরিষদের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা বা আইনি বাধ্যবাধকতা এখনও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায় অনুযায়ী যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হয়, তবে তা আগে সংবিধানে ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে এই পরিষদের সদস্যদের শপথ কে পাঠ করাবেন এবং শপথের ফরম কেমন হবে—সেটি সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে স্পষ্টভাবে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন।
সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করেন যে, এই ফরমগুলো সাংবিধানিকভাবে সংসদে গৃহীত হওয়ার পরেই কেবল শপথ নেওয়ার আইনি পথ সুগম হবে। তিনি বলেন, “আমরা সংবিধান মেনেই এ পর্যন্ত এসেছি এবং ভবিষ্যতেও সংবিধানের আলোকেই পথ চলতে চাই।”
দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এবং তাঁরই নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে বলে তিনি সংসদ সদস্যদের জানান। এর ফলে সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিলেও সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ার এই বিশেষ ধাপটিতে বিএনপির অংশগ্রহণ আপাতত স্থগিত রইল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...