বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্যাথরিন ভাউত্রিন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।
ভারতের জাতীয় দৈনিক ‘দ্য হিন্দু’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় ‘ফিফটি-ফিফটি’ অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎপাদিত হবে। ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ‘ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড’ এবং ফরাসি কোম্পানি ‘সাফরান ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ডিফেন্স’ যৌথভাবে এই উৎপাদন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে।
‘হ্যামার’ মূলত ফ্রান্সের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি স্মার্ট ‘এয়ার টু সারফেস’ ক্ষেপণাস্ত্র। এটি ১৯৯৭ সাল থেকে উৎপাদিত হচ্ছে এবং বিশেষ করে ফ্রান্সের সর্বাধুনিক রাফাল যুদ্ধবিমানের প্রধান অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। এই প্রিসিশন-গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্রটি সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
উল্লেখ্য, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে ফ্রান্সের কাছ থেকে ১১৪টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করেছে ভারত। সেই চুক্তির শর্তানুসারে, ২০২৬ সাল শেষ হওয়ার আগেই ১৮টি রাফাল বিমান ‘ফ্লাইং কন্ডিশনে’ হাতে পাবে ভারতীয় বিমানবাহিনী। অবশিষ্ট বিমানগুলো ভারতেই তৈরি করা হবে, যেখানে ভারতীয় প্রযুক্তির সমন্বয় থাকবে।
বর্তমানে ভারতের কাছে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান রয়েছে। নতুন এই চুক্তির ফলে রাফাল বিমানগুলোতে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র এখন ভারতেই তৈরি হবে। চুক্তিতে সামরিক খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
সূত্র : দ্য হিন্দু, ফ্রার্স্ট পোস্ট
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...