বিজ্ঞাপন
সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের কাছে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রীসভায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্যের বাইরে) সদস্য অন্তর্ভুক্তির সুযোগ রয়েছে। সাধারণত বিশেষ দক্ষতা, পেশাগত সুনাম বা দলীয় অবদানের ভিত্তিতে এই কোটায় মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়।
ফুটবল ক্যারিয়ারে নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে আমিনুল হক দেশের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে সুনামের সঙ্গে খেলেছেন। ফরাশগঞ্জ, আবাহনী লিমিটেড, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও মুক্তিযোদ্ধাসহ একাধিক ক্লাবে গোলরক্ষক হিসেবে তিনি ছিলেন আস্থার প্রতীক। গোলরক্ষক হয়েও দীর্ঘ সময় ঘরোয়া ফুটবলে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন তিনি। জাতীয় দলে এক নম্বর গোলরক্ষক হিসেবে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পেনাল্টি ঠেকানোর দক্ষতার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে তিনি সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)–এর রাজনীতিতে যুক্ত হন। দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে নানা সময়ে নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনাও আলোচনায় আসে। ক্রীড়াঙ্গন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততা বিবেচনায় টেকনোক্র্যাট কোটায় তাকে অন্তর্ভুক্তির দাবি আগে থেকেই ছিল।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে সাবেক ফুটবলারদের মধ্যে মেজর হাফিজ মন্ত্রীত্ব পান, পরে আরিফ খান জয় ক্রীড়া উপমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। আমিনুল হক সেই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় সাবেক জাতীয় ফুটবলার হিসেবে মন্ত্রীসভায় যুক্ত হতে চলেছেন বলে আলোচনা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...