বিজ্ঞাপন
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে মুকসুদপুর উপজেলার বালিয়াকান্দী বাজারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
নিহত সিয়ামের পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা খুনিদের ছবি ও ফাঁসির দাবি সম্বলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন এবং বিক্ষোভ মিছিল থেকে হত্যাকারীদের দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। মামলার চার আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকি দুজন এখনো পলাতক। তারা যেন কোনোভাবেই দেশত্যাগ করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে নিহতের মা শিউলি বেগম বলেন, "আমার ছেলেকে কোল থেকে ডেকে নিয়ে তারা হত্যা করেছে, আমি ওগো ফাঁসি চাই।"
নিহতের চাচী রুমা বেগম জানান, সিয়ামের কোনো অপরাধ ছিল না; তাকে হত্যার পর তিন দিন লাশ গুম করে রাখা হয়েছিল।
চাচা শিপন মোল্লা জানান, মুকসুদপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সিয়ামকে তার সহপাঠীরাই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় নিহতের চাচা রিপন মোল্লা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে দিদার (১৪) ও পারভেজ (১৫) নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ নিখোঁজ হওয়ার পর ৯ মার্চ রাতে ঝুটিগ্রামের একটি পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, সিয়ামের কাছে থাকা আইফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে মাদকের অর্থ জোগাড় করার উদ্দেশ্যেই তার চার সহপাঠী এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...