বিজ্ঞাপন
নিহত তামিম ওই গ্রামের প্রবাসী রফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে গেলেও রাতে বাড়িতে একা ঘুমানোর জন্য চলে আসে তামিম। গভীর রাতে ঘরে আগুন লাগলে সে বাঁচার আকুতি জানিয়ে চিৎকার শুরু করে এবং ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা চালায়।
তবে প্রতিবেশীদের দাবি, আগুনের সময় ঘরের দরজাটি বাইরে থেকে আটকানো ছিল। পরবর্তীতে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ছেলের মৃত্যু নিয়ে অভিযোগ তুলে প্রবাসী পিতা রফিক মিয়া বলেন, “আমার ছেলেকে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। আগুনের সময় ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ থাকা প্রমাণ করে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। আমি আমার সন্তান হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, সংবাদ পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এই অগ্নিকাণ্ডে রফিক মিয়া ও শওকত মিয়ার তিনটি ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হলেও, দরজা বাইরে থেকে আটকানো থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আগুনের প্রকৃত কারণ এবং পরিবারের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...