বিজ্ঞাপন
সোমবার (২৫ মে) রাত থেকে শুরু হওয়া এ যানজট মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে মহাসড়কের রাবনা পর্যন্ত দীর্ঘ এ যানজটে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়।
মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা এবং যমুনা সেতুর পূর্বপাড় এলাকায় রাত থেকেই যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। দূরপাল্লার বাসের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল এমনকি খোলা ট্রাকেও যাত্রীদের নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতুর ওপর বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি প্রতিরোধে মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের টহল কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।
এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা। অন্যদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকামুখী ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন চলাচল করেছে, যার বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, রাতের বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে সাময়িকভাবে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...