Logo Logo

ডা. কে এম বাবর এমপি

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে চালু হচ্ছে ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন


Splash Image

গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই সরাসরি ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এছাড়া পহেলা বৈশাখ থেকে ঢাকা-বেনাপোলগামী আন্তঃনগর ট্রেনটি মুকসুদপুর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেবে।


বিজ্ঞাপন


শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর।

সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দের পক্ষ থেকে তাকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

এমপি বাবর বলেন, “সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ চালু হলে জেলার মানুষ অত্যন্ত কম খরচে এবং দ্রুত সময়ে ঢাকা ও বেনাপোল যাতায়াত করতে পারবেন। এতে অর্থ ও সময়ের সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি জেলার অর্থনীতিতেও আমূল পরিবর্তন আসবে।”

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বাইরের মানুষ মনে করে বিগত সরকার গোপালগঞ্জকে সোনার চাদর দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র ভিন্ন। তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য তেমন কোনো পদক্ষেপই নেয়নি। তারা চাইলে অনেক আগেই ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি ট্রেন চালু বা ইপিজেড স্থাপন করতে পারতো।”

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর এই জেলার মানুষ প্রধানমন্ত্রী থাকার পরও পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার। মানুষ পানির অভাবে কষ্ট পাচ্ছে, অথচ শোনা যায় বরাদ্দ হওয়া টাকায় না কি পৌরসভা ভেসে গেছে। তাহলে সেই টাকা গেল কোথায়? কেন একটি আধুনিক পানির প্ল্যান্ট তৈরি করা সম্ভব হলো না?”

উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ডা. বাবর বলেন, “আপনারা সমাজের মেহনতি ও নিরীহ মানুষের পক্ষে কাজ করবেন। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে প্রভাবশালীদের পক্ষ নিয়ে দরিদ্রদের ঠকাবেন না। এলাকায় মাদক, চুরি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখতে হবে।”

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা এমন প্রকল্প গ্রহণ করুন যা জনস্বার্থে কাজে লাগে। আমার পরিচয় দিয়ে কেউ যদি কোনো অনৈতিক সুবিধা চায়, তবে তা সরাসরি আমাকে জানাবেন। আমি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

গোপালগঞ্জকে একটি সন্ত্রাসমুক্ত ও বাসযোগ্য আধুনিক জেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমি সব মানুষের এমপি। এখানে কোনো গডফাদার বা ব্যক্তিগত বাহিনীর স্থান হবে না। আমাদের নেতা তারেক রহমানের দেখানো পথে আমরা দ্রুততম সময়ে জনগণের সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।”

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী শবনাম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...