বিজ্ঞাপন
বিদ্যালয়টির বর্তমান চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পঞ্চম শ্রেণিতে মাত্র ১ জন, চতুর্থ শ্রেণিতে ১ জন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ জন এবং প্রথম শ্রেণিতে ১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
অপরদিকে তৃতীয় শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থীর অস্তিত্বই নেই। অর্থাৎ পুরো স্কুলে বর্তমানে পাঠদান করার মতো শিক্ষার্থী আছে মাত্র ৪ জন।
এদিকে বিদ্যালয়টিতে নেই কোনো আধুনিক ভবন না থাকায় জরাজীর্ণ পরিবেশেই চলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পদচারণা।
বিদ্যালয়টিতে ছাত্র - ছাত্রীর সংখ্যা কম থাকার কারণ সম্পর্কে স্হানীয়দের অভিযোগ হল উপযুক্ত ভবন ও পরিবেশ না থাকায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই বিদ্যালয়ে পাঠাতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকায় কর্মরত শিক্ষিকদের মধ্যেও এক ধরণের দীর্ঘমেয়াদী হতাশা বিরাজ করছে। পাঠদানের পরিবেশ না থাকায় তারা এক প্রকার অলস সময় পার করছেন।
এদিকে কোমল মতি শিক্ষার্থীদের নামে বরাদ্দকৃত টিফিন লোপাটের প্রমান পাওয়া যায় প্রধান শিক্ষিকা ইসরাত জাহান ডলির বিরুদ্ধে।
একটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন করুণ দশা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কেন একটি সরকারি স্কুলে মাত্র ৪ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এবং কেন বছরের পর বছর ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন নাগরিকরা। সরকারি সম্পদের অপচয় রোধে এবং শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রুহুল আমীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আস্বস্ত করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...