বিজ্ঞাপন
আইআরজিসির ‘আনসার আল মাহদি’ ইউনিট এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতরা সবাই ওই ইউনিটের অত্যন্ত অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন। তবে বিস্ফোরিত বোমাটি ঠিক কী ধরনের ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ধারণা করা হচ্ছে, জানজান শহরের যে এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটেছে, সেখানে মার্কিন বিমানবাহিনীর ফেলা বেশ কিছু ক্লাস্টার বোমা এবং এয়ার-ড্রপড মাইন অবিস্ফোরিত অবস্থায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনী ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছিল।
টানা ৪০ দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, যুদ্ধবিরতি চলাকালে আইআরজিসির জন্য এটিই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইরানের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত বোমা ও মাইন শনাক্ত করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যরা।
আইআরজিসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত বাহিনীর বিশেষ বোমা বিশেষজ্ঞ দল ১৫ হাজারেরও বেশি অবিস্ফোরিত বোমা সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে, গাল্ফ নিউজ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...