বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন এক সন্তানের জনক নাসির উদ্দিন। তখন তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। নাসিরের বড় ভাই মশিউর রহমান জানান, গত কয়েক বছরে ভাইয়ের চিকিৎসার পেছনে জমিজমা বিক্রি ও জমানো সঞ্চয়সহ প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নাসিরের স্ট্রোক পরবর্তী প্যারালাইসিস নিরাময়ে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে এই পরিবারের দুর্দশা আরও বেড়েছে নাসিরের বাবা মমিনুর রহমানের অসুস্থতায়। গত বছর তিনিও প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। অর্থাভাবে বাবা কিংবা ছেলে—কাউকেই কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের পরামর্শেই কোনোমতে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে। দীর্ঘদিনের সুচিকিৎসার অভাবে নাসিরের শারীরিক অবস্থার দিন দিন অবনতি ঘটছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আনিছুর রহমান ও গুলজার রহমান জানান, এই পরিবারটির আয়ের কোনো সুনির্দিষ্ট উৎস নেই। প্রতিদিনের ওষুধের খরচ জোগাতেই তারা হিমশিম খাচ্ছেন। টাকার অভাবে সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে ধুঁকছেন বাবা ও ছেলে। এমতাবস্থায় সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে মানবিক দিক বিবেচনা করে এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এলাকাবাসী জোর আহ্বান জানিয়েছেন।
নাসির উদ্দিনের চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাঠাতে তার ব্যক্তিগত বিকাশ এবং নগদ নম্বর: ০১৭১০৫২৯৮০৭। সামান্য সহযোগিতায় হয়তো ফিরে পেতে পারে একটি টগবগে যুবকের প্রাণ এবং একটি অসহায় পরিবারের সচ্ছলতা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...