Logo Logo

ডেঙ্গুর চাপ বাড়ায় স্যালাইন সংকট

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ১০০ ব্যাগ স্যালাইন দিলেন যুবদল নেতা শামীম


Splash Image

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝালকাঠিতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। রোগীর সংখ্যা বাড়ার কারণে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে নরমাল স্যালাইনের সংকট। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সহায়তায় নিজ অর্থায়নে ১০০ ব্যাগ নরমাল স্যালাইন (এনএস-১০০০ মিলিলিটার) প্রদান করেছেন ঝালকাঠি জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শামীম তালুকদার।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (১৭ জুন) ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখারের হাতে স্যালাইনগুলো তুলে দেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ২০৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। বর্তমানে সাতজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্যালাইনের চাহিদাও বেড়েছে, যার ফলে সাময়িক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

স্যালাইন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মেহেদী হাসান সানি, সেবা তত্ত্বাবধায়ক আক্তারা খানম, ঝালকাঠি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার জহিরুল ইসলাম বাদল, সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খলিফা, সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম রানা এবং ঝালকাঠি জেলা ফার্মেসি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা।

এ সময় মো. শামীম তালুকদার বলেন, “সদর হাসপাতালে স্যালাইন সংকটের বিষয়টি জানতে পেরে আমি এটিকে মানবিক দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছি। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই নিজ অর্থায়নে ১০০ ব্যাগ স্যালাইন সরবরাহ করেছি। ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হলে আরও সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুম ইফতেখার এবং আরএমও ডা. মেহেদী হাসান সানি এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ডেঙ্গুর সময় নরমাল স্যালাইনের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এমন সংকটময় সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্যালাইন সরবরাহ নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও মানবিক উদ্যোগ। তারা সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরও জনস্বার্থে হাসপাতালের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগই নয়, সামাজিক ও ব্যক্তিগত পর্যায়ের এ ধরনের সহযোগিতাও রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনস্বার্থে এমন মানবিক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া সময়ের দাবি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...