ছবি : সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২২ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট (আসিয়ান) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুবিও বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আলোচনা, সমঝোতা এবং মতপার্থক্যের শান্তিপূর্ণ সমাধানে সবসময় প্রস্তুত।"
তিনি আরও বলেন, "বর্তমানে ইরানকে নিয়ে আমাদের মূল সমস্যা হলো, তারা আলোচনায় আন্তরিক নয়। তারা যদি আন্তরিক হয়, আমরাও আন্তরিক থাকব। আর যদি না হয়, তাহলে আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।"
হরমুজ প্রণালি নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ব্যবস্থার অধীনেই ওই জলপথ নিয়ন্ত্রণের অধিকার ইরানের নেই। এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা একটি "বিপজ্জনক নজির" হবে।
রুবিওর ভাষায়, "নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি। এটি হুমকির মুখে পড়লে বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং দেড় শতাব্দী ধরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থার ভিত্তি নড়বড়ে হয়ে যাবে।"
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌযানের জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ওই জলপথকে আলোচনায় নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী পূর্ব সমন্বয় না করেই প্রণালি অতিক্রম করেছে—এমন অভিযোগে কয়েকটি জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছে।
সূত্র: সিএনএন
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...