বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে রাজধানীর মহাখালীর জাতীয় জনস্বাস্থ্য সংস্থায় (নিপসম) আয়োজিত এক গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মতো ঘটনা সচরাচর দেখা যেত না। কিন্তু এখন কেন এমন হচ্ছে— তা ভাববার বিষয়। মূল কারণ হলো শিশুদের পুষ্টির চরম অভাব। অনেক মা-ই এখন শিশুকে সঠিক সময়ে ঠিকমতো শালদুধ ও সুষম খাবার দেন না। এর ফলে শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি প্রতিরোধে প্রাথমিক পুষ্টির ওপর জোর দেওয়ার বিকল্প নেই।
স্বাস্থ্য সেবার গুণগত মান ও চিকিৎসকদের আচরণের বিষয়ে আলোকপাত করে তিনি বলেন, রোগাক্রান্ত মানুষের শেষ ভরসার জায়গা হলো একজন চিকিৎসক। চিকিৎসকের একটু আন্তরিক আচরণ ও মিষ্টি কথা অনেক সময় ওষুধ ছাড়াই রোগীকে মানসিকভাবে অর্ধেক সুস্থ করে তোলে। মহান আল্লাহ চিকিৎসকদের বিশেষ মেধা ও যোগ্যতা দিয়েছেন, যা জনসেবায় কাজে লাগানো উচিত।
অনুষ্ঠানে দেশে যক্ষ্মা (টিবি) রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি জানান, প্রান্তিক জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে উপজেলা পর্যায়ে ১০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন সরবরাহ করা হচ্ছে এবং একই স্থানে ফিজিওথেরাপি সেবা চালু করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...