ছবি : কৃত্রিম মেধা (AI) দ্বারা নির্মিত
বিজ্ঞাপন
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূগর্ভস্থ ১০ কিলোমিটার (প্রায় ৬ মাইল) গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় উপকূলীয় সংলগ্ন এলাকাগুলোতে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই ভূমিকম্পের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। তবে ভূমিকম্পের পরপরই কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, সামুদ্রিক সুনামির কোনো সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে কি না— সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনও সুনির্দিষ্ট তথ্য মেলেনি।
নিউজিল্যান্ড ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে 'রিং অব ফায়ার' (Ring of Fire) বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়ে অবস্থিত হওয়ায় দেশটি অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। টেকটোনিক প্লেটগুলোর ক্রমাগত ঘর্ষণের কারণে নিউজিল্যান্ড ও এর আশপাশের দ্বীপাঞ্চল গুলোতে প্রায়শই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরির তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়।
ভূমিকম্প আঘাত হানার পরই স্থানীয় জরুরি সেবা সংস্থা ও প্রশাসন উপকূলীয় এলাকার পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। ভূতত্ত্ববিদরা ধারণা করছেন, মূল কম্পনের পর ছোট আকারের একাধিক আফটারশক বা অনুকম্পন দেখা দিতে পারে, যার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...