বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবনসংগ্রামের সিংহভাগ সময় ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালিয়েছেন আক্তারুল। নিজের কষ্টার্জিত উপার্জনে সংসার সামলানো ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে ভালো থাকার আশায় কেনা গরু-ছাগলে কিছু পুঁজি গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ায় তার সেই সাজানো সংসারে ঘনিয়ে আসে অমানিশার অন্ধকার।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ইতোমধ্যেই গরু-ছাগল, জমানো মূলধন এবং বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় করেছে অসহায় পরিবারটি। এত কিছুর পরও তার সুস্থতা মেলেনি, বরং প্রতিদিন তাকে পোহাতে হচ্ছে তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য আরও প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা দরকার।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি পঙ্গুপ্রায় হয়ে পড়ায় চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে পুরো পরিবার। বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে আক্তারুলের স্ত্রী লিপি আক্তার মাত্র ৬ হাজার টাকা বেতনে একটি কোম্পানিতে দিনভর কাজ করছেন। তবে এই সামান্য আয়ে দৈনিক সংসার চালানোই যেখানে অসম্ভব, সেখানে স্বামীর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো একেবারে কল্পনাতীত। অন্যদিকে সংসারের অভাব-অনটন মেটাতে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে লিপন বাধ্য হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নেমেছে।
আক্ষেপ প্রকাশ করে লিপি আক্তার বলেন, দিনরাত খেটেও মাস শেষে যে বেতন পাওয়া যায় তা দিয়ে কিছুই হয় না। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে স্বামীর চিকিৎসা করাবেন আর কীভাবে সংসার চালাবেন, তা ভেবে আকুল হচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক হোসেন জানান, আক্তারুলের পরিবার অত্যন্ত অসচ্ছল এবং তার সুচিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি। ব্যবসায়ী মনোয়ার মিয়া বলেন, সরকারি উদ্যোগে যদি উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, তবে পরিবারটি রক্ষা পাবে এবং শিশু সন্তানটিরও পুনরায় বিদ্যালয়ে ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বর্তমানে অর্থাভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত আক্তারুল ইসলাম ও তার পরিবার সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ব্যক্তি ও সরকারি সহায়তার দিকে চাতক পাখির মতো পথ চেয়ে আছেন।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: নগদ (Personal): 0198586303
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...