বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ২৬ বছর বয়সী অজয় রাঠোরসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অজয়কে জিজ্ঞাসাবাদে এআইয়ের সহায়তায় ভেজাল মদ তৈরির বিষয়টি সামনে আসে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দেওয়াস কোতোয়ালি থানার পুলিশ কর্মকর্তা শশীকান্ত চৌরাসিয়া জানান, অজয় এআই ব্যবহার করে বাড়িতে রাসায়নিক ও পানি মিশিয়ে মদ তৈরির পদ্ধতি শিখেছিলেন। পরে তৈরি করা ভেজাল মদের সঙ্গে আসল মদ মিশিয়ে তা বিক্রি করতেন তিনি।
তদন্তকারীদের দাবি, সংগ্রহ করা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের খালি বোতলে ভেজাল মদ ভরে বাজারে সরবরাহ করা হতো। মূলত গ্রামীণ এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে এই মদ বিক্রি করা হয়েছিল।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, গত ২ অক্টোবর থেকে ৬-৭ অক্টোবরের মধ্যে একটি বাড়িতে ভেজাল মদ তৈরি করা হয়। এ কাজে যুক্ত ছিলেন লোহার পিপলিয়ার বাসিন্দা গোবিন্দ এবং গাধেশ্যা পিপলিয়ার বাসিন্দা রামেশ্বর। পরে ৭ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ওই ভেজাল মদ বিক্রি করা হয়।
এ ঘটনায় রাসায়নিক সরবরাহের অভিযোগে ইন্দোরের একটি গুদামও সিলগালা করেছে পুলিশ। তদন্তে উঠে এসেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকেই ভেজাল মদ পান করে মৃত্যুর ঘটনা শুরু হয়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এআইয়ের সহায়তায় ভেজাল মদ তৈরির বিষয়টি সামনে আসার পর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...