বিজ্ঞাপন
হুথিদের দাবি অনুযায়ী, রাস তানুরা তেল শোধনাগার, আরামকোর আবকাইক স্থাপনা, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, রাবিগ তেল শোধনাগার এবং নাজরানে সৌদি সামরিক সদর দপ্তর হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল। তবে এসব হামলার দাবির স্বাধীন কোনো সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে তেহরানে সৌদি আরব, ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের বৈঠকে আঞ্চলিক বিরোধ সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে ঐকমত্য হলেও হুথিদের হামলা অব্যাহত রয়েছে। বৈঠকে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন অংশ নেন।
বৈঠক শেষে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামরিক উত্তেজনা এড়াতে আলোচনার পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া হুথিদের দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করে। এ ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে এক সৌদি নাগরিক আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি বাড়ি ও একটি গাড়ি।
সূত্র: আলজাজিরা
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...