বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ প্রদান করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল আজকের দিনটি রায় ঘোষণার জন্য নির্ধারিত করেছিলেন। তবে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় তারিখ পেছানো হয়েছে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে।
এই মামলায় মোট আসামি ৮ জন। তাদের মধ্যে আজ সকালে শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মামলার বাকি চার আসামি—ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, সাবেক এডিসি শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম এবং সাবেক এসি মোহাম্মদ ইমরুল এখনো পলাতক রয়েছেন।
মামলাটিতে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া শহীদ আনাসের বাবা সাহরিয়ার খান পলাশসহ নিহত অন্যান্য শহীদদের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। মোট ২৩ কার্যদিবসে সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। যুক্তিতর্ক পর্বে প্রসিকিউশন আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করলেও আসামিপক্ষ সব অভিযোগ অস্বীকার করে বেকসুর খালাস প্রার্থনা করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে রাজধানীর চানখারপুল এলাকায় পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন। ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইতেই শহীদদের পরিবার ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...